২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে অনেকেই জানতে চাই। কারণ অনেকের অনেক
পরিকল্পনা থাকতে পারে এই মাসকে ঘিরে। আমরা এই পোস্টে ২০২৬ সালের
মার্চ মাসের সম্পূর্ণ ক্যালেন্ডার নিয়ে আলোচনা করব।
অনেকেই আগাম পরিকল্পনা করার জন্য অগ্রিম মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে বিস্তারিত
ধারণা পেতে চাই। তাই আমরা সেই দিকটা বিবেচনা করেই আমাদের পুরো
পোস্টটাকে সেভাবে সাজিয়েছি। আমরা এখানে জানবো ২০২৬ সালের
মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে।
সূচিপত্রঃ ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
- ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
- মাস বা বর্ষপঞ্জিকা ধারণা
- ২০২৬ সালের মার্চ মাসের সরকারি ছুটি
- ২০২৬ সালের মার্চ মাসের রোজা কয়টি
- রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের আমল ও ফজিলত
- ২০২৬ সালে বাংলাদেশের ঈদুল ফিতরের ফেতরা কত
- বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর কবে
- ২০২৬ সালে ঈদুল ফিতরের ছুটি কতদিন হবে
-
উপসংহারঃ ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার ও ঈদুল ফিতর
২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে অনেকের অনেক জানার আগ্রহ
থাকে। কারণ অনেকের আগাম পরিকল্পনা থাকে এই মাসকে নিয়ে। এই মাসে অনেক গুলো
উৎসব আছে যেমন মার্চ মাসে আছে মাহে রমজানের রোজা, শবে কদর, ঈদুল ফিতর
সহ আরও সরকারি ছুটি। আমরা এখন জানবো ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
এর সংক্ষিপ্ত ধারণা।
মার্চ মাস হচ্ছে ইংরেজি মাসের ৩য় মাস। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হবে সাপ্তাহিক দিন শনিবার । অর্থাৎ মার্চ মাস শুরু হবে রবিবার। এই মাসে অনেক উৎসব আছে যেমন মাহে রমজান, শবে কদর, ঈদুল ফিতর, নববর্ষের শুরু অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ সহ আরও অনেক সরকারি ছুটি। আপনাদের সামনে এখন একটি ক্যালেন্ডার উপস্থাপন করলাম এখন আমরা নিচের দিকে আস্তে আস্তে এই মাসের সকল ঘটনা ও উৎসব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।
আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ার পর আপনারা এই মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে
একটি বিস্তারিত ধারণ করবেন।
মাস বা বর্ষপঞ্জিকা ধারণা
আমরা জানি আমাদের জীবনে মাস বা বর্ষপঞ্জিকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জীবনের
সম্পূর্ণ ঘটনার সাথে মাস বা বর্ষপঞ্জিকার সংযোগ আছে। আমরা হয়তো অনেকেই
জানিনা মাস বা বর্ষপঞ্জিকা কখন এবং কোথায় থেকে উৎপত্তি বা আবিষ্কার হয়েছে।
এখন আমরা জানবো মাস বা বর্ষপঞ্জিকার সম্পর্কে।
প্রথমে মাস নিয়ে কথা বলা যাক। ইংরেজি সালের মাস প্রথম শুরু হয়
জানুয়ারি মাস দিয়ে, বাংলা মাস শুরু হয় বৈশাখ মাস দিয়ে এবং আরবি মাস শুরু
হয় মুহাররম মাস থেকে। ইংরেজি মাসের দিনগুলো শুরু হয় রাত ১২ টার পর থেকে,
বাংলা মাসের দিনগুলো শুরু হয় সূর্যোদয় থেকে আর আরবি মাসের দিনগুলো শুরু
হয় চন্দ্রদ্বয় অর্থাৎ চাঁদ উঠলে।
বর্ষপঞ্জিকা হলো ১২ মাসের একত্রে তৈরি হওয়া এক লিখিত গ্রাফ।
প্রথমদিকে মিশরীয়রা তাদের অনেক সমস্যার সমাধানের জন্য একটি সৌর
ক্যালেন্ডার তৈরি করে। যাতে ৩৬৫ দিনে ১ বছর গণনা করা হতো। পরবর্তীতে সুমেরীয়
বা ব্যাবিলনীয়রা ১ বছরের ভিতরে ১২ মাস যুক্ত করে। এরপরে অনেক সময় পার
করার পরে রোমানরা গ্রেগরিয়ান ভাবে লিপিবদ্ধ করে ১ বছর বা
১২ মাসে কে। যা বর্তমান যুগে ক্যালেন্ডার নামে আখ্যায়িত।
২০২৬ সালের মার্চ মাসের সরকারি ছুটি
আমরা সবাই কোনো না কোনো কাজের সাথে জড়িত। কেউ বেসরকারি চাকরি করেন,
কেউ সরকারি চাকরি করেন, কেউ ব্যবসার কাজে অর্থাৎ বিভিন্ন কর্মসংস্থানের সাথে
জড়িত। কোন কিছু করার জন্য আগাম পরিকল্পনা করতে হয়। কিন্তু সে পরিকল্পনা করার
জন্য যে যার কর্মসংস্থান থেকে ছুটি পাওয়ার পরেই সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়।
তাই সবাই চাই মাসের কোন কোন দিনে ছুটি আছে সেই দিনগুলোতেই পরিকল্পনা করতে।
কিন্তু আমরা কোন ওয়েবসাইটে সঠিকভাবে তথ্য পায় না পুরো মাসের। তাই এই
সমস্যার সমাধান করার জন্য আমরা এখন ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার
এবং সরকারি ছুটি নিয়ে আলোচনা করব।
| মার্চ মাসের ছুটির তালিকা | ঘটনা / উৎসব |
|---|---|
| ২০ মার্চ | ঈদুল ফিতর |
| ২১ মার্চ | ঈদুল ফিতর |
| ২২ মার্চ | ঈদুল ফিতর |
| ২৩ মার্চ | ঈদুল ফিতর |
| ২৫ মার্চ | স্বাধীনতা দিবস |
উপরোক্ত ছুটি গুলো ছাড়াও মার্চ মাসে অনেকগুলো দিবস বা ঘটনা আছে কিন্তু সেইগুলো
সরকারি ছুটির আয়তভক্ত নয়। তবে এই ছুটির সংখ্যার পরিমাণ কিছুটা পরিবর্তন
হতে পারে।
২০২৬ সালের মার্চ মাসের রোজা কয়টি
আমরা জানি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেকে যেয়ে পবিত্র মাহে রমজানের শুরু।
পবিত্র রমজান মাসের রোজা ৩০ টি। তাই যদি ফেব্রুয়ারি মাসের অর্ধেকে যেয়ে পবিত্র
মাহে রমজান শুরু হয় তাহলে কিছু রোজা মার্চ মাসের ভিতরে পড়বে। তাহলে প্রশ্ন
হচ্ছে মার্চ মাসে কয়টি রোজা হবে। এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য নিচে একটি টেবিল
দেওয়া হলো। সে টেবিলে উল্লেখ আছে মাহে রমজানের রোজা মার্চ মাসের কয় তারিখ
থেকে কয় তারিখ পর্যন্ত হবে।
| রমজান | তারিখ |
|---|---|
| ১০ রমজান | ১ মার্চ |
| ১১ রমজান | ২ মার্চ |
| ১২ রমজান | ৩ মার্চ |
| ১৩ রমজান | ৪ মার্চ |
| ১৪ রমজান | ৫ মার্চ |
| ১৫ রমজান | ৬ মার্চ |
| ১৬ রমজান | ৭ মার্চ |
| ১৭ রমজান | ৮ মার্চ |
| ১৮ রমজান | ৯ মার্চ |
| ১৯ রমজান | ১০ মার্চ |
| ২০ রমজান | ১১ মার্চ |
| ২১ রমজান | ১২ মার্চ |
| ২২ রমজান | ১৩ মার্চ |
| ২৩ রমজান | ১৪ মার্চ |
| ২৪ রমজান | ১৫ মার্চ |
| ২৫ রমজান | ১৬ মার্চ |
| ২৬ রমজান | ১৭ মার্চ |
| ২৭ রমজান | ১৮ মার্চ |
| ২৮ রমজান | ১৯ মার্চ |
| ২৯ রমজান | ২০ মার্চ |
| ৩০ রমজান | ২১ মার্চ |
যদি ২০শে ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা হয় খালি উপরোক্ত তালিকা অনুযায়ী মার্চ মাসের
এক তারিখে দশম তম রমজান হবে। তবে যেহেতু আরবি মাস চাঁদ দেখার পরে নির্ভরশীল
সেক্ষেত্রে যদি প্রথম রোজা ২০ ফেব্রুয়ারি না হয় তাহলে তারিখগুলো
পরিবর্তন হবে। তবে আশা করা যায় ফেব্রুয়ারি মাসের ২০ তারিখে প্রথম রোজা
হওয়ার।
রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের আমল ও ফজিলত
রমজান মাস হচ্ছে আরবি মাসের নবমতম মাস। রমজান মাস সম্পর্কে মহান আল্লাহ
তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন এই মাস হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। এই মাসের গুরুত্ব ও
ফজিলত সম্পর্কে বলতে গেলে অনেক ঘটনা উল্লেখ করতে হবে যার মধ্যে সবথেকে
গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হচ্ছে লাইলাতুল কদরের রাত অর্থাৎ কুরআন নাযিলের রাত।
রমজান মাসে কুরআন নাযিল হওয়া ছাড়া অন্য অনেক ঘটনা আছে যেমন মহানবী হযরত
মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এই মাসে মেরাজ করেন, এই মাসে মক্কা বিজয় হয়,
এই মাসে হযরত মূসা আলাইহিস সালাম তাওরাত প্রাপ্ত হন, হযরত আব্দুল কাদির জিলানী
(রহঃ) খাদিজা জন্মগ্রহণ করেন আবার এই মাসেই ১০ রমজান হযরত খাদিজা
(রহঃ) মৃত্যুবরণ করেন। এই মাস তারাবির মাস। অন্য কোন মাসে তারাবির নামাজ হয়
না। এই মাস সেহরি ও ইফতারের মাস।
এই মাসে মহান আল্লাহ তায়ালা তাকওয়া অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছেন সিয়াম
পালনের মাধ্যমে। মোট কথাই বলতে গেলে এ মাস হচ্ছে মহান আল্লাহ তাআলার একটি রহমত।
এখন আমরা জানবো রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের আমল ও ফজিলত সম্পর্কে। রমজান
মাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যেমন রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত। রমজানের
প্রথম ১০দিন কে বলা হয় রহমত। তারপরের ১০ দিন কে বলা হয় মাগফিরয়াত এবং শেষ
১০ দিন কে বলা হয় নাজাত। রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের ভেতরে আছি সেই সম্মানিত রাত
লাইলাতুল কদরের রাত।
এই রাতে পবিত্র কুরআন নাযিল হয়। নাজাতের ১০দিনে বিজোড় রাত অর্থাৎ ২১,২৩,২৫,২৭,২৯
তম রমজানের রাতে এই মহামান্বিত রাত লুকিয়ে আছে। আমাদের এই দশ দিনের মধ্যে
লাইলাতুল কদরের তালাশ করার জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা ইতেকাফ এর সুযোগ করে
দিয়েছেন।আমরা যদি এই ১০ দিন ইতেকাফ করি তাহলে আমরা লাইলাতুল কদরের রাতটা পেয়ে
যাবো। লাইলাতুল কদরের রাত সম্পর্কে মাহান আল্লাহ তায়ালা বলেছেন এই মাস হচ্ছে
হাজার মাসের চেয়ে উত্তম।
আমরা যদি ১ হাজার ও ধরি তাহলে প্রায় ৮৩ বছরের সমান হয়। যদি কোন মানুষ এই রাত পেয়ে
যায় তাহলে সেই ব্যাক্তি টানা ৮৩ বছরের ইবাদতের সওয়াব অর্জন করবে। আমাদের
উচিৎ এ রমজান মাসে বেশি বেশি কুরআন তেলাওয়াত করা, দান সদকা করা, আল্লাহর
ইবাদত করা, সিয়াম পালন করা, সকল পাপ থেকে বিরত থাকা এবং আল্লাহর তাকওয়া অর্জন
করা। পরবর্তীতে রমজান মাসের শিক্ষা নিয়ে পরবর্তী জীবন পরিচালনা করা।
২০২৬ সালে বাংলাদেশের ঈদুল ফিতরের ফেতরা কত
ঈদুল ফিতর মানেই ফেতরার বিষয়টা এমনি চলে আসে। ফেতরা কি এই প্রশ্নটাই এখন আসা
যাক। এটি হলো রমজান মাস শেষ এবং ঈদুল ফিতরের আগে বাধ্যতামূলক দাতব্য দান। এই
দানটি হচ্ছে গরিব মুসলিমের হক। মহান আল্লাহ তায়ালা সামর্থ্যবানদের জন্য ফরজ
করেছেন। যেন দরিদ্র মুসলিমগণ মর্যাদার সাথে ঈদুল ফিতর উদযাপন করতে পারে।
চলুন জেনে আসি ২০২৬ সালে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতরের ফেতরা কত।
বাংলাদেশে ফেতরা নির্ধারণ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক। প্রতিবছর ফেতরার
মূল্য কম-বেশি হয় দ্রব্যমূল্যর উপর ভিত্তি করে। ফেতরা নির্ধারণ হয়
আঞ্চলিক খাদ্যে দ্রব্যের উপরে। ফেতরা নির্ধারিত ২.৫ কেজি থেকে
৩ কেজি পর্যন্ত আঞ্চলিক প্রধান খাদ্য থেকে সেটি হতে পারে চাল, গম, যব,
খেজুর ইত্যাদি। যেমন আমাদের বাংলাদেশ প্রধান খাদ্য হিসেবে চালকে ধরা হয়। তাই
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ ফেতরা হিসাবে২.৫ থেকে ৩ কেজি পর্যন্ত
চালের সমপূর্ন বাজারের মূল্য টাকা দেয়।
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের বাজারে চালের বিভিন্ন প্রকারভেদ আছে এবং সে
প্রকারভেদ অনুযায়ী দাম ভিন্ন। যদি আমরা ১ কেজি চাল ৭০ টাকা ধরি তাহলে একজন
মানুষের ফেতরা টাকা আসে ১৭৫ টাকা যদি আমরা ২.৫ কেজি চালের হিসাব
করি। আর যদি ৩ কেজি চালের হিসাব করি তাহলে হবে ২১০ টাকা জনপ্রতি।
বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর কবে
মুসলিম জাতির জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা বছরে দুটি উৎসব দিয়েছেন। একটি হচ্ছে ঈদুল
ফিতর এবং অন্যটি হচ্ছে ঈদুল আযহা যা আমরা কোরবানির ঈদ নামে বেশি পরিচিত। ঈদ
মানেই মুসলিম জাতির জন্য একটি বিশেষ এবং অনেক খুশির একটি দিন। আর এই ঈদের জন্য
আমাদের অনেকের পূর্ব পরিকল্পনা থাকে।তাই যদি আমরা আগে থেকে না জানি কবে ঈদুল ফিতর
হবে তাহলে আমাদের অনেক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয় না বা শেষ সময়ে এসে বিপদে
পড়তে হয়।
তাই এই সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা আপনাদেরকে জানাবো বাংলাদেশের ঈদুল ফিতর কবে
হবে। বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর হবে ২০ থেকে ২২ শে মার্চ এই দিনগুলোর ভেতরে। কেননা
এই সমস্ত সকল কিছুই নির্ভর করে চাঁদ দেখার উপরে। তাই যতক্ষণ পর্যন্ত চাঁদ না দেখা
যায় ঠিক ততক্ষণ পর্যন্ত সরাসরি কোন তারিখ উল্লেখ করা যায় না। তবে ২০ থেকে
২২ শে মার্চ এই দিনগুলোর ভেতরেই বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে।
আর আমাদের উচিত এই দিনগুলোকে মাথায় রেখেই অগ্রিম পূর্ব পরিকল্পনা করা যাতে করে
ঈদুল ফিতর নিজের পরিবারের সাথে হাসিমুখে করা যায়। আর সবাই এটাই চাই বছরের
দুইটা ঈদ নিজের পরিবারের সাথে উদযাপন করতে।
ঈদুল ফিতরের ছুটি কতদিন হবে
আমাদের মাঝে অনেকে আছে অনেক কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত। কেউ সরকারি চাকরি
করেন আবার কেউ বেসরকারি চাকরি করেন। সব কর্মসংস্থানে ঈদুল ফিতরের ছুটি দিয়ে
থাকে। আমরা এখন আলোচনা করব সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সকল কর্মী ঈদুল ফিতরের ছুটি
কতদিন পাবে।
বাংলাদেশে সকল চাকরিজীবী ঈদের ছুটি পায় পাঁচ দিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত।
তবে শ্রেণীবিভাগে ছুটির সংখ্যা কিছুটা কম বেশি হয় যেমন এক থেকে দুই দিন। তবে
সরকারী চাকরির ক্ষেত্রে টানা একসাথে বছরে দুইটি ঈদেই ছুটি পাওয়া যায়।
উপসংহারঃ ২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার ও ঈদুল ফিতর
২০২৬ সালের মার্চ মাসের ক্যালেন্ডার এই ব্লগে আমরা আলোচনা করলাম পুরো
মাসের ছুটি নিয়ে। এ মাসে রমজান মাস অর্ধেক আছে। আমরা রমজান মাস
সম্পর্কে আলোচনা করলাম। রমজান মাসে গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করলাম।
ঈদুল ফিতর কবে এবং কত দিন ছুটি পাওয়া যাবে সেই বিষয় নিয়েও আলোচনা করলাম।
ঈদুল ফিতর কথাটি শোনার পরে ফেতরা বিষয়টি চলে আসে আমরা সেই বিষয়টি নিয়েও
আলোচনা করলাম। বর্তমান সময়ে বাজার অনুযায়ী ফেতরা কত টাকা হবে সে বিষয়
নিয়ে আলোচনা করলাম। মার্চ মাসের কয় তারিখ থেকে কয় তারিখ পর্যন্ত রোজা সে
বিষয়ে নিয়ে একটি বিস্তারিত ধারণা দিয়েছি।
আমাদের পোস্টটা যদি ভালো লাগে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন
এবং পরিচিতদের শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।



আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। আপনাদের প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url