AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে
টাকা আয় করার ১৫টি উপায় AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে নিয়ে আজকে আমরা জানবো। যা বর্তমান সময়ের অন্যতম একটি বিষয়। AI লেখা আর হিউম্যান লেখার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য বিদ্যমান থাকে যা গুগল খুব সহজেই বুঝতে পারে।
সাধারণত এই আই দিয়ে কনটেন্ট লিখলে তখন ভাল ফলাফল করা গেলেও কিছুদিন পর সে কনটেন্ট আর কোন কাজেই লাগে না। এই কন্টেন্ট দিয়ে গুগল র্যাংকিং পাওয়া যায় না। AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে নিয়ে জেনে নেই।
পেইজ সূচিপত্রঃ AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে
- AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখার প্যাটার্ন কি কি
- মানুষ কি করতে পারে যা মেশিন পারে না
- কিভাবে লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না হয়?
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজ করে না কেন?
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি 100% বিশ্বাসযোগ্য?
- কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পারে না কিন্তু মানুষ পারে?
- মানুষের লেখা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপন্ন লেখার পার্থক্য?
- টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুল কোনটি?
- শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে
AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে নিয়ে জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এর অন্যতম কারণ হচ্ছে, AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল বোঝে আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা গুলো অনেক ক্ষেত্রে মানুষের উপকারে আসে না।
তাছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা ব্যবহৃত কনটেন্ট গুলো মানুষের ইমোশন বুঝতে না পারার কারণে তা মানুষের ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠেনা। এর ফলে গুগল বিভিন্ন উপায়ে জনার চেষ্টা করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্যগুলি কেমন হয়। চলুন এই নিয়ে বিস্তারিতভাবে নিচে জেনে নেই।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা অনেকটা রোবোটিক হয়ঃ AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল বোঝার অন্যতম কারণ হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা অনেকটা রোবোটিক হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা রোবোটিক হওয়ার কারণে গুগল সহজেই তা বুঝতে পারে। সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা কখনো মানুষের ব্যবহার উপযোগী হয়ে ওঠে না। তাছাড়া গুগলের বিভিন্ন ধরনের প্রিমিয়াম টুলস আছে যেগুলোর মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লেখাগুলি সহজেই বুঝতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখাতে অনেক কঠিন শব্দ ব্যবহার হয়ঃ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখাতে অনেক সময় অনেক কঠিন শব্দগুলি ব্যবহার হয় যেগুলি কখনো মানুষের দ্বারা লেখা সম্ভব নয়। মানুষ সাধারণত সহজ ভাষায় সকল বিষয়গুলি উপস্থাপন করে থাকে। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যে কোন বিষয় একটু কঠিন করে উপস্থাপন করে যার মাধ্যমে গুগল সহযোগিতা বুঝতে পারে এবং চিহ্নিত করতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা অনেক ক্ষেত্রে পড়তে কষ্ট হয়ঃ AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল বোঝার অন্যতম কারণ হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা অনেক ক্ষেত্রে পড়তে কষ্ট হয়। সাধারণত মানুষের লেখা পড়তে খুব বেশি কষ্ট হয় না কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইমোশন না বোঝার কারণে তাদের লেখাগুলি পড়তে কষ্ট হয় এবং মানুষ তা সহজে বুঝতে সক্ষম হয় না। যা ওয়েবসাইটের প্রতি বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং গুগল র্যাংকিং এতে বাধা সৃষ্টি করে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন অনুযায়ী লেখা হয় যা পড়া অনেক ক্ষেত্রে কষ্টকরঃ AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল বোঝার অন্যতম কারণ হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন অনুযায়ী লেখা হয় যা পড়া অনেক ক্ষেত্রে কষ্টকর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন অনুযায়ী লেখা হয় যার মাধ্যমে গুগল সহজেই তা বুঝতে পারে। তাছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা বিষয়গুলি পড়া অনেক ক্ষেত্রে কষ্টকর। যার মাধ্যমে এর দ্বারা ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব হয় না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখা অনেক সময় ভুল তথ্য প্রদান করেঃ অনেক সময় দেখা যায় এবং বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা লেখাতে অনেক ক্ষেত্রে ভুল থাকে। যে ভুল লেখার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সময় বিভ্রান্তিতে পড়ি। গুগল সাধারণত সঠিক এবং ভুল তথ্যের মাঝে সহজেই পার্থক্য বুঝতে পারে।
AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে তা আমাদের সকলের মাঝে AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুলো ভিন্নতা তৈরি করতে পারে। তাই এই নিয়ে গুরুত্ব বাড়ানো খুবই উপযোগী একটি মাধ্যম যা আমাদের সকলের মাঝে সচেতনতা বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনি যদি এই এআই দিয়ে কনটেন্ট লিখে গুগলে র্যাংকিং পেতে চান তাহলে তা অনেক কষ্টসাধ্য বিষয়। বর্তমান সময়ে গুগল অনেক বেশি অ্যাডভান্স হয়ে যাওয়ার কারণে এআই দিয়ে লেখা কন্টেন সহজেই বুঝতে পারে এবং এর দ্বারা শাস্তি প্রদান করতে পারে। তাই সর্বদা চেষ্টা করুন নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে সঠিক তথ্য গ্রাহকদের কাছে প্রদান করা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখার প্যাটার্ন কি কি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখার বিভিন্ন ধরনের প্যাটার্ন রয়েছে যে কনটেন্ট গুলোর মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বুঝতে পারে সেই কনটেন্ট এআই দিয়ে তৈরি নাকি মানুষের মাধ্যমে তৈরি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখার অন্যতম প্যাটার্ন হচ্ছে সেই কনটেন্টটি অনেকটা রোবটিক হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখা হবে অনেকটা ছন্দের মত। তাছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখা বোঝা অনেকটায় কষ্টকর।
যার মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখার প্যাটার্ন সহজে ধরা যায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখা অনেক সময় অনুমান করে হয় যার ফলে সঠিক তথ্য পাওয়া সম্ভব হয় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখাতে বিভিন্ন ধরনের ভুল থাকে যার মাধ্যমে গ্রাহকরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়েন। তাই সর্বদা চেষ্টা করুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত কনটেন্ট না লেখার জন্য। তাছাড়া বর্তমানে এমন অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে যে গুলির মাধ্যমে বোঝা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত লেখা কি না।
মানুষ কি করতে পারে যা মেশিন পারে না
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখার এমন একটি বিষয় যা আমাদের মাঝে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রভাবিত করে থাকে। যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। পৃথিবীতে এমন অনেক ধরনের কাজ রয়েছে যা মানুষ করতে পারলেও কখনো মেশিন করতে পারে না। মেশিন কখনোই মোশন বুঝে না সঠিকভাবে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না ।
মেশিনকে যা বলা হয় মেশিন শুধু তাই করতে পারে অর্থাৎ মেশিনকে যখন যে কমান্ড দেয়া হয় মেশিন শুধু তাই করতে পারে তাছাড়া অন্য কোন কাজ করা মেশিনের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠেনা। মূলত মেশিন পরিচালনার জন্য একটি মানুষ দরকার মেশিন নিজে নিজে কখনো পরিচালিত হতে পারে না।
কিন্তু পৃথিবীতে এমন অনেক কাজ আছে যেগুলি মেশিন কোন বিশ্রাম ছাড়া করে ফেলে কিন্তু মানুষের পক্ষে তার সম্ভব নয়। যদিও মেশিনের পক্ষে অনেক কাজের সম্ভব নয় যে কাজ গুলো মানুষ পারে। মেশিন কখনো সৃজনশীলতা, সহানুভূতি এবং আবেগ দিয়ে কাজ করতে পারেনা। যা মেশিনের অন্যতম একটি অপারগতা বা দুর্বলতা।
কিভাবে লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না হয়
লেখাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না হওয়ার বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি এবং উপায় রয়েছে। যে উপায় গুলো জানার মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার লেখা গুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার থেকে বিভিন্ন ভাবে করতে পারবেন। লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না করার অন্যতম উপায় হচ্ছে লেখার মধ্যে আবেগ এবং স্বাভাবিক শব্দগুলি ব্যবহার করা।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লেখাগুলোতে কখনো আবেগ থাকে না এবং তারা স্বাভাবিক শব্দ ব্যবহার করেনা। তাই লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না করার অন্যতম উপায় হচ্ছে লেখার মাঝে স্বাভাবিক শব্দ গুলি ব্যবহার করুন । লেখাগুলোকে খুব বেশি কঠিন করবেন না। লেখাকে সহজভাবে বোঝার এবং অন্যকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। তাহলে আপনার লেখাগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত হবে না।
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত না করার উপায় নিয়ে। এক্ষেত্রে সর্বদা চেষ্টা করবেন সহজ ভাবে লেখাগুলো তৈরি করার। এর মাধ্যমে আপনার লেখাগুলো আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মত হবে না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজ করে না কেন?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনোই নিজে একা একা কোন কাজ করতে পারে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কমান্ড প্রদানের পরবর্তী সময়েই সে কোন একটি কাজ সঠিকভাবে সম্বোধন করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন একটি মাধ্যম যেখানে বিভিন্ন ধরনের কঠিন কাজ ও সহজে সম্পাদন করা যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কমান্ডের প্রয়োজন কোন ধরনের কমান্ড ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজে কোন কিছুই তৈরি করতে পারে না বা আবিষ্কার করতে পারে না।
অনেক সময় এমনও দেখা যায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিভিন্ন ধরনের ভুল তথ্য প্রদান করে যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মোকাবেলা করতে হয় । কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাঝে এখন অনেক জ্ঞান সীমাবদ্ধ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনো মানুষের মতই ইমোশন বোঝে না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাঝে এই শক্তি নেই যে তারা মানুষের মত ইমোশন বুঝে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। আজকাল মেশিনগুলিতে বিভিন্ন ধরনের বিষয়গুলোর অভাব রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধুমাত্র কমান্ড অনুযায়ী কাজ করতে পারে তাছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা অন্য কোন কাজ করা সম্ভব নয়।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি 100% বিশ্বাসযোগ্য
বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমন একটি বিষয় যা আমাদের মাঝে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন দিক দিয়ে প্রভাবিত করে থাকে। যা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি 100% বিশ্বাসযোগ্য। এটি অনেক ক্ষেত্রেই নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 100% বিশ্বাসযোগ্য নয়।
অনেক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা 100% বিশ্বাসযোগ্য তথ্য প্রদান করতে পারে না যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা ভুক্ত হয়। তাছাড়াও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর তথ্যগুলো 100% সঠিক নয় যার কারণে অনেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর তথ্যগুলো বিশ্বাস করতে চায় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মূলত নির্দিষ্ট কিছু কমান্ড দ্বারা পরিচালিত হয়। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সর্বদা সঠিক ভাবা উচিত নয়।
কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পারে না কিন্তু মানুষ পারে?
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পারে না কিন্তু মানুষ পারে এমন কাজগুলো কি কি। বর্তমান সময়ে এমন অনেক কাছেই রয়েছে যা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পারে না কিন্তু মানুষ পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পারে না কিন্তু মানুষ পারে তার মধ্যে অন্যতম কিছু কাজ হচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিজে থেকে কোন কার্য সম্পাদন করতে পারে না।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর মাঝে কোন সৃজনশীলতা নেই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনো নতুন কোন কিছু আবিষ্কার করতে পারে না। কিন্তু মানুষ সর্বদা নতুন কোন কিছু আবিষ্কার করতে পারে এবং মানুষের মাঝে সৃজনশীলতার পরিমাণ অনেক বেশি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু নির্দিষ্ট কিছু কমান্ড এর মাধ্যমে কার্য সম্পাদন করতে পারে। তা ব্যতীত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বারা অন্যান্য কাজ গুলি করা প্রায় অসম্ভব। তাছাড়াও মানুষ ইমোশন বুঝে কাজ করতে পারে কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পক্ষে এটি কখনোই সম্ভব নয়।
মানুষের লেখা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপন্ন লেখার পার্থক্য
মানুষের লেখা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপন্ন লেখার বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য বিদ্যমান। এবং মানুষের লেখা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপন্ন লেখার বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য দেখা যায়। মানুষের লেখা থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উৎপন্ন লেখার মাঝে অন্যতম কিছু পার্থক্য হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সর্বদা কঠিন কঠিন শব্দ ব্যবহার করে থাকে।
যা একটি মানুষের পক্ষে অনেক সময় বোঝে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লেখাগুলোর মাঝে একটি ভাব থাকে যা কখনোই মানুষের লেখার মাঝে থাকা সম্ভব নয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোন নির্দিষ্ট কমান্ড ব্যতীত কোন কাজ করতে পারে না এবং তাদের লেখার মাঝে কখনোই ইমোশনাল ফুটে উঠে না যা অন্যতম একটি সমস্যা হিসেবে বিবেচিত।
টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুল কোনটি
সাধারণত গুগল থেকে রিসার্চ করে দেখা যায় যে আপনাদের মাঝে অনেকেই রয়েছেন যারা জানতে চান টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুল কোনটি। টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করার বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি এবং উপায় রয়েছে। যে উপায় গুলোর মাধ্যমে টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করা সম্ভব। টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করার জন্য সাধারণ এআই প্যাটার্নগুলি সরিয়ে এআই টেক্সটকে মানুষের মতো লেখার মাধ্যমে পরিবর্তন করা সম্ভব।
এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের শর্তাবলী রয়েছে সে শর্তগুলো মেনে সঠিকভাবে কাজ করার মাধ্যমে টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করা সম্ভব হয়। এক্ষেত্রে একজন মানুষ যখন টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করতে চাইবে তখন সে কনটেন্ট গুলো পড়ে নিজের মতো এডিট করার মাধ্যমে টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করা সম্ভব হবে। অন্যথায় এটি প্রায় অসম্ভব। তাছাড়া বর্তমানে এমন অনেক কিছু পেইড টুলস রয়েছে যেগুলি ব্যবহারের মাধ্যমে টেক্সটকে হিউম্যানাইজ করা সম্ভব কিন্তু এগুলি সম্পূর্ণরূপে কাজ করে না।
শেষ বিশ্লেষণঃ লেখকের মন্তব্য
AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে এই নিয়ে আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা বিস্তারিতভাবে জেনেছি। AI লেখা আর মানুষের লেখার মাঝে বিভিন্ন ধরনের পার্থক্য থাকে। AI লেখা সাধারণত রোবোটিক হয়ে থাকে যে কারণে এটি কখনো মানুষের লেখার মত হয়ে ওঠে না। গুগল মূলত বিভিন্নভাবে AI লেখা এর লেখা এবং মানুষের লেখার পার্থক্য বুঝতে পারে।
আপনি যদি গুগল এর ব্লগ আরে ভালো একটি পরিচালনা করতে চান তাহলে অবশ্যই AI দিয়ে লেখা থেকে বিরত থাকবেন। তাহলে মাধ্যমে ইনকাম করা সম্ভব হবে অন্যথায় এটি প্রায় অসম্ভব। তাহলে, আজকে আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অর্থাৎ AI লেখা আর হিউম্যান লেখার পার্থক্য গুগল যেভাবে বোঝে নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিলাম, যা আমাদের জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে সাহায্য করবে। এতক্ষণ সময় নিয়ে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন আপনার সুস্থতা কামনা করি।



আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। আপনাদের প্রতিটা কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url